সেদিন আমি শো করছি না, এমন সময় তনু ভাই যাকে আমি ডাকি ডি.জে. তালপাতার সেপাই তিনি আসলেন অন এয়ার রুমে এবং বললেন কিরে শুভ!!তুই এখানে বসে কি করিস চল দুজন মিলে আমার শো শেষ করে ঘুরে আসি। আমি আর না করি কিভাবে??
ঠিক এমন সময় একটা মজার ঘটনা ঘটালাম আমি।আমার আবার স্টেশন এ গেলে বাদরামী করতে মজা লাগে। তাই তনু দা অন এয়ার হতেই আমাদের সব আর.জে কে অফিসিয়াল নাম্বার দিয়ে কল দিলাম এবং বললাম তনু ভাই জরুরী মিটিং ডেকেছে তাড়াতাড়ি আসো।
আর সব্বাই তো বলে দিল আধা ঘন্টার মাঝে তারা অফিসে আসছে। এদিকে আমি সোজা অন ইয়ার রুম এর বাহিরে দাঁড়িয়ে তনু ভাই কে দেখিয়ে দেখিয়ে নাচঁতে লাগলাম। বেচারা তো কিছুই জানেনা....হাহা
তাই উনিও অন এয়ার রুম এ বসে নেচে-কুদে একাকার করছে। একটু পর সব্বাই আসতে শুরু করল আর আমি আস্তে করে চায়ের দোকানে গিয়ে বসে থাকলাম।
১০মিনিট পর তনু ভাই আমাকে কল করলো এবং বললো শুভ বাদর তুই কই??
আমি নিরীহ মানুষের মত বললাম আমি বাসায়,তনু ভাই আমাকে অফিসে আসতে বলল আমিও ভাল ছেলের মত ২০ মিনিট পর অফিসে ঢুকলাম।
তনু ভাইঃ কীরে??তূই সবাইকে কি বলেছিস?
আমিঃ আমি তোহ মাত্র অফিসে আসলাম।
আর যায় কই?? সব মিলে তনু ভাইকে ধরল...হাহ হাহ হা
এরপর যখন সবাই মিলে আড্ডা মারছি তখন সবাইকে বললাম যে আসলে আমার কাজ ছিল ওটা।
এরপর???
দিলো একধাপ পাদ্যানি এবং সাথে শাস্তি হলো আমাকে এবং তনু ভাইকে মিলার ডিস্কো বান্দর গানের সাথে নাচতে হবে আর সবাইকে বিকালের নাস্তা খাওয়াতে হবে। আর তনু ভাইইয়ের দোষ কম হওয়ায় নাস্তার পুরো বিল দিতে হল আমাকে।
তনু ভাই এত্ত কিপটামি করা উচিত না। মানে বিলটি তুমি দিতে চাইলে কি আমি মানা করতে পারতাম??
বুঝলে না যে আমি কত্ত ভালো। সবচেয়ে বড় কথা কেউ কিন্তু রাগ করেনি কারন আমরা সবাই একটি পরিবার এর মত।আর এ জন্ন্যেই আমাদের মাঝে এত্ত মজা হয় যে বলার বাহিরে।
আমাদের মাঝে একজনের মনও কোনদিন খারাপ থাকেনি কারন মন খারাপ তো ডু মাস্তি।
হে হে হে
২৩ ডিসে, ২০০৯
১৯ ডিসে, ২০০৯
১৬ই ডিসেম্বর
আমি একটি রেডিও স্টেশনে কাজ করি, রেডিও জকি হিসেবে।আমার রেডিও স্টেশনের নাম রেডিও আপন।এটি একটি অনলাইন বেসড বাংলা রেডিও স্টেশন।আমি আজ ১৬ডিসেম্বর এর কিছু মজার ঘটনা শেয়ার করব।
১৬ডিসেম্বর আমাদের জন্য বিশেষ দিন, আমাদের বিজয় দিবস।আমাদের রেডিও স্টেশনে অনেক গুলো বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রাম ছিলো।আমরা সবাই পাঞ্জাবী এবং মেয়েরা শাড়ী পড়বে বলে ঠিক রইলো।সারাদিন অনেক বন্ধু আমাদের অফিসে আসবেন,তাই আমরা অনেক আয়োজন করেছি।আজ আমাদের রেডিও জকি যুবরাজ এর জন্মদিন।সবাই মিলে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলো, মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার স্টেশনে যাবার কথা ছিল সকাল ১০টায় অথচ আমি পৌছেছি দুপুর ২.০০টায়। সবাই ত রেগে মেগে অস্থির। আমি ঢুকেই চমৎকার একটি হাসি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করলাম কিন্তু সবাই মিলে ধরলো আমাকে এবং বললো আমার শাস্তি পেতে হবে।
অগ্যতা আর কোন উপায় না দেখে আমি মেনে নিলাম এবং মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার শাস্তি হলো আজ যত থালা-বাসন হবে সব আমাকে ধুতে হবে। হা-হা-হা।
এরপর সবাই মিলে যুবরাজ এর সম্মানে আরেকবার খাওয়া শুরু করলাম এবং অনেক গান,কৌতুক এবং মজা করছিলাম। ভালো কথা মজা করছিলাম বলে আমরা কিন্তু প্রোগ্রাম বন্ধ রাখিনি। যাই হোক এভাবে ৬.০০টা পর্যন্ত চলল।৬.০০টার সময় গায়ক নীরব আসলেন আমাদের স্টেশনে। তাকে নিয়ে আমাদের একটি শো হল আর সেই শো"তে আরজে হিসেবে ছিলেন তনু'দা ।তনু'দাকে আমি অনেক পছন্দ করি, কারন মানুষটি আমাদের জন্যে অনেক কষ্ট করে। এরপর নীরব দাদা'র সাথে সবাই মিলে ছবি তুললো কিন্তু আমি তার সাথে ছবি তুলতে পারিনি কারন সবাই যখন ছবি তুলে তখন আমার শো চলছিল।আমাকে যখন অন্যরা ডেকেছিল আমি তখন দরজা বন্ধ করে শো করছি তাই ওদের ডাক আমি শুনিনি। আমাদের শো শেষ হলো রাত ১২.০০টায় এরমাঝে সব্বাই বিদায় নিয়ে চলে গেলো। আমার জন্য বিশেষ বিরিয়ানির ব্যাবস্থা করলো তনু ভাই এবং দুজন মিলে সেটা ভোজন করে বের হলাম রাতের ঢাকার সাথে চমৎকার কিছু সময় কাটাতে, সমস্ত বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারতে। রাত নাহ তখন আর রাত নেই ভোর হয়ে গিয়েছে অথাৎ ভোর ৭.০০টায় আমি আমার বাসায় ফিরলাম এবং ঘুমুতে গেলাম।আমার রেডিও স্টেশ্ন এর লিংক
১৬ডিসেম্বর আমাদের জন্য বিশেষ দিন, আমাদের বিজয় দিবস।আমাদের রেডিও স্টেশনে অনেক গুলো বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রাম ছিলো।আমরা সবাই পাঞ্জাবী এবং মেয়েরা শাড়ী পড়বে বলে ঠিক রইলো।সারাদিন অনেক বন্ধু আমাদের অফিসে আসবেন,তাই আমরা অনেক আয়োজন করেছি।আজ আমাদের রেডিও জকি যুবরাজ এর জন্মদিন।সবাই মিলে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলো, মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার স্টেশনে যাবার কথা ছিল সকাল ১০টায় অথচ আমি পৌছেছি দুপুর ২.০০টায়। সবাই ত রেগে মেগে অস্থির। আমি ঢুকেই চমৎকার একটি হাসি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করলাম কিন্তু সবাই মিলে ধরলো আমাকে এবং বললো আমার শাস্তি পেতে হবে।
অগ্যতা আর কোন উপায় না দেখে আমি মেনে নিলাম এবং মজার ব্যাপার হচ্ছে আমার শাস্তি হলো আজ যত থালা-বাসন হবে সব আমাকে ধুতে হবে। হা-হা-হা।
এরপর সবাই মিলে যুবরাজ এর সম্মানে আরেকবার খাওয়া শুরু করলাম এবং অনেক গান,কৌতুক এবং মজা করছিলাম। ভালো কথা মজা করছিলাম বলে আমরা কিন্তু প্রোগ্রাম বন্ধ রাখিনি। যাই হোক এভাবে ৬.০০টা পর্যন্ত চলল।৬.০০টার সময় গায়ক নীরব আসলেন আমাদের স্টেশনে। তাকে নিয়ে আমাদের একটি শো হল আর সেই শো"তে আরজে হিসেবে ছিলেন তনু'দা ।তনু'দাকে আমি অনেক পছন্দ করি, কারন মানুষটি আমাদের জন্যে অনেক কষ্ট করে। এরপর নীরব দাদা'র সাথে সবাই মিলে ছবি তুললো কিন্তু আমি তার সাথে ছবি তুলতে পারিনি কারন সবাই যখন ছবি তুলে তখন আমার শো চলছিল।আমাকে যখন অন্যরা ডেকেছিল আমি তখন দরজা বন্ধ করে শো করছি তাই ওদের ডাক আমি শুনিনি। আমাদের শো শেষ হলো রাত ১২.০০টায় এরমাঝে সব্বাই বিদায় নিয়ে চলে গেলো। আমার জন্য বিশেষ বিরিয়ানির ব্যাবস্থা করলো তনু ভাই এবং দুজন মিলে সেটা ভোজন করে বের হলাম রাতের ঢাকার সাথে চমৎকার কিছু সময় কাটাতে, সমস্ত বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারতে। রাত নাহ তখন আর রাত নেই ভোর হয়ে গিয়েছে অথাৎ ভোর ৭.০০টায় আমি আমার বাসায় ফিরলাম এবং ঘুমুতে গেলাম।আমার রেডিও স্টেশ্ন এর লিংক
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


